কেন্দ্রীয় কার্যালয়

৫৫/বি (৩য় তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা- ১০০০

ফোন

০২-৫৫৭১৪১

ইমেইল

iajbd.2016@gmail.com

কেন্দ্রীয় কার্যালয়

৫৫/বি (৩য় তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা- ১০০০

ফোন

০২-৫৫৭১৪১

ইমেইল

iajbd.2016@gmail.com

আনুশকা হত্যাকাণ্ডে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বুদ্ধিজীবীদের নসিহত ও বাস্তবতা

গত ৭ জানুয়ারী রাজধানীর ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেল শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিনের অনাকাঙ্খিত মৃত্যু জাতির বিবেককে ধাক্কা দিয়েছে। তার মৃত্যুতে চরমভাবে হোচট খেয়েছে নৈতিকতা । পশ্বিমা অপসংস্কৃতির আস্ফালন ও এদেশের ভাড়াটে বুদ্ধিজীবীদের কূট চালের কাছে হেরে গেছে আমাদের সভ্য সংস্কৃতির বন্ধন। ঘটনাটিতে অবাধ বন্ধুত্বের স্বাধীনতা নামক শব্দটির কবর রচিত হলো ।

রাজধানীর কলাবাগানে বন্ধু দিহানের ধর্ষণের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আনুশকা নূরের মৃত্যু হয়েছে। ধর্ষণ শব্দটি এখন এদেশে স্বভাবিক হয়ে গেছে। বিদেশী প্রভূদের লালিত স্বদেশী বুদ্ধিজীবীরা কৌশলে ব্যাপরটিকে ভিন্ন নামে আমাদের সংস্কৃতির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে। তারা জাতিকে অবাদ যৌনাচারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এরকম ঘটনা বর্তমানে বাংলাদেশে হাজার হাজার ঘটছে, দুর্ঘটনা হলেই কেবল সেটি ধর্ষণ নাম ধারণ করে জাতির সামনে আসে।

আমি অন্য আরেকটি প্রবন্ধে লিখেছিলাম দেশ স্বাধীন হলেও আমাদের আইন আদালত চলছে বৃট্রিশ আইনে। এর বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে সে যত বড় মুক্তিযোদ্ধাই হোক মুহূর্তের মধ্যে খাঁটি রাজাকার হয়ে যায়। বলার কিছু নাই । বৃট্রিশ আইনে ধর্ষকেরও জামিন বা খালাস পাওয়ার যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে। যেমন গতকাল হাইকোর্ট থেকে জামি পেয়েছে, নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনার মূলহোতা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিন।এটা বিচারকের কোন দোষ না, দোষ হলো বৃট্রিশ আইনের।

অনুশকার আগেও ধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনা অনেক ঘটেছে। তবে আনুশকারটা এত আলোটিত হওয়ার পিছনে ছিল ‍বিকৃত যৌনাচার । আনুশকা নূর আমিন নামের ঐ ছাত্রীর দেহে‘ফরেন বডি’র আলামত মিলেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনুশকার ময়নাতদন্ত হয়। সেখানকার ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্কে এতটা ভয়াবহ পরিণতি হওয়ার কথা নয়। শরীরের নিম্নাঙ্গে কোন‘ফরেন বডি’ জাতীয় কিছু একটা ব্যবহার করা হয়েছে।

এক কথায় সেখানে বিকৃত যৌনাচার করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, আমি আমার পোস্টমর্টেম জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি, স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্কে এই ইনজুরি মোটেও সম্ভব না। ওটা অন্য কিছু ছিল।যোনিপথ ও পায়ুপথ থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে ভুক্তভোগীর মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা এই চিকিৎসকের। তিনি বলেন, প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় সে‘হাইপো ভোলেমিক’ শকে মারা গেছে।

এ জঘন্য হত্যাকন্ডটির সাথে সাথে কিছু বিষয় সামনে এসেছে-

১.সন্তানের প্রতি পিতামাতর দায়িত্ব ২. ‍বিকৃত যৌনাচার ৩. সন্তানের অবাধ স্বাধীনতা।

আমরাও এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপকর্ম করার সাহস না পায়। পাশাপাশি আশনুকা দিহানের বাবা মা ও তাদের দায়িত্ব এড়াতে পারে না।

ভিক্টিমের মা মিডিয়ায় সাক্ষাৎকারে বলেছেন , ‘মেয়ে তাকে ফোন করে বন্ধুর বাসায় যাওয়ার কথা বলছে। ’প্রশ্ন হলো যে মা এত কষ্ট করে মেয়েকে গর্ভে ধারন করলেন সে মা কীভাবে এত সহজে তার জীবটা বিপন্ন হতে দিলেন? কীভাবে তার মেয়েকে একা বয় ফ্রেন্ডের বাসায় যাওয়ার অনুমতি দিলেন? তিনি কি পারবেন তার দায়িত্ব এড়াতে? এধরনের যত ঘটনা ঘটছে তার অধিকাংশই হলো ‘‘ডোনট মাইন্ড ’’ ফ্যামিলিতে। গ্রপ স্টাডির নামে কত মেয়ে যে প্রতিদিন তার ইজ্জত আবরুর হারাচ্ছে তার কোনো হিসাব আছে?

পত্রিকা মারফত জানা গেছে দিহানের বাবা তাকে একটি বিলাসবহুল গাড়ি কিনে দিয়েছিল। তাছাড়াও সে বাবার পক্ষ থেকে অবাধ স্বাধীনতা পেয়েছিল।সেই অবাধ স্বাধীনতায‌ই আজকে তাকে খুনি এবং ধর্ষককে পরিণত করছে।

আমি স্যালুট জানাই মাননীয় আইজিপি জনাব বেনজীর আহমদকে। উনিই সম্ভবত বাংলাদেশে একমাত্র ব্যক্তি যিনি এফিট ফোর্স র‌্যাব এবং পুলিশ দুই বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পেয়েছেন। এ জন্যই ওনার পাবলিক ফাংশনে মেশার সুযোগ বেশি হয়েছে। ঘটনার পর অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে উনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নিচে ওনার বক্তব্যের চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো —

সন্তানের দায়িত্ব নিতে না পারলে সন্তান জন্ম দিয়েছেন কেন? এটি ছিল বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকার হেডলাইন। গত সোমবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলায় র‌্যাব সদর দফতরে ‘র‌্যাব সেবা সপ্তাহ’ উপলক্ষে আয়োজিত দরিদ্র মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা সহায়তা দেওয়া অনুষ্ঠানে আইজিপি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, পিাতামাতাকে তাঁদের সন্তানের খোঁজ খবর রাখতে হবে।সন্তানদের মধ্যে নীতি নৈতিকতা ও মূ্ল্যবোধ তৈরি করতে হবে। এটি বাবা-মার সামাজিক, নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্বও বটে।

ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের(সিএমএইচ) মনোরোগবিদ্যা বিভাগের সাবেক প্রধান ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল অধ্যাপক মো. আজিজুল ইসলাম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই বিষয়গুলোকে
সোশিও-কালচারাল(সামাজিক-সাংস্কৃতিক) প্রেক্ষিতে নিয়ে ভাবতে হবে। শুধু একটা’সেক্টর’ থেকে ভাবলে তা ভুল হবে।

বর্তমানে আমরা ডিজিটালাইজেশনের নামে প্রগতির অনেক ঊর্ধ্বে উঠে গেছি। পশ্চিমা কালচারের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে আমরা বড় বিপদ ডেকে আনছি।মধ্যবিত্তের যে সংস্কৃতি তা থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে বিকৃত যৌন লালসা সমাজে জায়গা করে নিচ্ছে বলেও মনে করেন এই অধ্যাপক। তিনি বলেন, সন্তান কী করছে তার খোঁজ রাখছি না আমরা।

দেশপ্রেমিক অফিসার ও বুদ্ধিজীবীরা যখন রোগ ধরে ফেলছেন ঠিত তখনই স্বদেশে বিদেশী প্রভুদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা কিছু ভাড়াটে বুদ্ধিজীবীরা জাতিকে অদ্ভত কিছু নসিহত করা শুরু করলেন। বিভিন্ন টাকশোতে তারা মতামত দিচ্ছেন ‘যৌন শিক্ষা’ বাধ্যতামূলক করার।

যেটি বাধ্যতামূলক করার কারনে পশ্চিমা বিশ্বের পারিবারিক বন্ধন ধ্বংস হয়ে গেছে সেটাকে আজ এদেশে আমদানির উদ্দেশ্য কী? এসব ঘুণেধরা বুদ্ধিজীবী, নারীনেত্রী এবং তাদের দোষররা নিজ নিজ ফেইসবুক পেইজেও বিষয়গুলো প্রচার করে যাচ্ছে।

এসব ঘটনা বর্তমানে মহামারি আকারে ধারন করছে। এর মূল কারন হলো – স্বদেশী সংস্কৃতির নামে এদেশে বিদেশী সংস্কৃতি আমদানি করা হয়েছে। একদল উচ্ছিষ্ঠভোগী নির্মাতারা তাদের ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে ‘পরকীয়া, প্রেম ও যৌনাচারকে স্বাভাবিক ভাবে তুলে ধরছে।

গত ৭ জানুয়ারী রাজধানীর ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেল শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিনের অনাকাঙ্খিত মৃত্যু জাতির বিবেককে ধাক্কা দিয়েছে। তার মৃত্যুতে চরমভাবে হোচট খেয়েছে নৈতিকতা । পশ্বিমা অপসংস্কৃতির আস্ফালন ও এদেশের ভাড়াটে বুদ্ধিজীবীদের কূট চালের কাছে হেরে গেছে আমাদের সভ্য সংস্কৃতির বন্ধন। ঘটনাটিতে অবাধ বন্ধুত্বের স্বাধীনতা নামক শব্দটির কবর রচিত হলো ।

রাজধানীর কলাবাগানে বন্ধু দিহানের ধর্ষণের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আনুশকা নূরের মৃত্যু হয়েছে। ধর্ষণ শব্দটি এখন এদেশে স্বভাবিক হয়ে গেছে। বিদেশী প্রভূদের লালিত স্বদেশী বুদ্ধিজীবীরা কৌশলে ব্যাপরটিকে ভিন্ন নামে আমাদের সংস্কৃতির সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে। তারা জাতিকে অবাদ যৌনাচারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এরকম ঘটনা বর্তমানে বাংলাদেশে হাজার হাজার ঘটছে, দুর্ঘটনা হলেই কেবল সেটি ধর্ষণ নাম ধারণ করে জাতির সামনে আসে।

আমি অন্য আরেকটি প্রবন্ধে লিখেছিলাম দেশ স্বাধীন হলেও আমাদের আইন আদালত চলছে বৃট্রিশ আইনে। এর বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে সে যত বড় মুক্তিযোদ্ধাই হোক মুহূর্তের মধ্যে খাঁটি রাজাকার হয়ে যায়। বলার কিছু নাই । বৃট্রিশ আইনে ধর্ষকেরও জামিন বা খালাস পাওয়ার যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে। যেমন গতকাল হাইকোর্ট থেকে জামি পেয়েছে, নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনার মূলহোতা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিন।এটা বিচারকের কোন দোষ না, দোষ হলো বৃট্রিশ আইনের।

অনুশকার আগেও ধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনা অনেক ঘটেছে। তবে আনুশকারটা এত আলোটিত হওয়ার পিছনে ছিল ‍বিকৃত যৌনাচার । আনুশকা নূর আমিন নামের ঐ ছাত্রীর দেহে‘ফরেন বডি’র আলামত মিলেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনুশকার ময়নাতদন্ত হয়। সেখানকার ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্কে এতটা ভয়াবহ পরিণতি হওয়ার কথা নয়। শরীরের নিম্নাঙ্গে কোন‘ফরেন বডি’ জাতীয় কিছু একটা ব্যবহার করা হয়েছে।

এক কথায় সেখানে বিকৃত যৌনাচার করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, আমি আমার পোস্টমর্টেম জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি, স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্কে এই ইনজুরি মোটেও সম্ভব না। ওটা অন্য কিছু ছিল।যোনিপথ ও পায়ুপথ থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে ভুক্তভোগীর মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা এই চিকিৎসকের। তিনি বলেন, প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় সে‘হাইপো ভোলেমিক’ শকে মারা গেছে।

এ জঘন্য হত্যাকন্ডটির সাথে সাথে কিছু বিষয় সামনে এসেছে-

১.সন্তানের প্রতি পিতামাতর দায়িত্ব ২. ‍বিকৃত যৌনাচার ৩. সন্তানের অবাধ স্বাধীনতা।

আমরাও এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অপকর্ম করার সাহস না পায়। পাশাপাশি আশনুকা দিহানের বাবা মা ও তাদের দায়িত্ব এড়াতে পারে না।

ভিক্টিমের মা মিডিয়ায় সাক্ষাৎকারে বলেছেন , ‘মেয়ে তাকে ফোন করে বন্ধুর বাসায় যাওয়ার কথা বলছে। ’প্রশ্ন হলো যে মা এত কষ্ট করে মেয়েকে গর্ভে ধারন করলেন সে মা কীভাবে এত সহজে তার জীবটা বিপন্ন হতে দিলেন? কীভাবে তার মেয়েকে একা বয় ফ্রেন্ডের বাসায় যাওয়ার অনুমতি দিলেন? তিনি কি পারবেন তার দায়িত্ব এড়াতে? এধরনের যত ঘটনা ঘটছে তার অধিকাংশই হলো ‘‘ডোনট মাইন্ড ’’ ফ্যামিলিতে। গ্রপ স্টাডির নামে কত মেয়ে যে প্রতিদিন তার ইজ্জত আবরুর হারাচ্ছে তার কোনো হিসাব আছে?

পত্রিকা মারফত জানা গেছে দিহানের বাবা তাকে একটি বিলাসবহুল গাড়ি কিনে দিয়েছিল। তাছাড়াও সে বাবার পক্ষ থেকে অবাধ স্বাধীনতা পেয়েছিল।সেই অবাধ স্বাধীনতায‌ই আজকে তাকে খুনি এবং ধর্ষককে পরিণত করছে।

আমি স্যালুট জানাই মাননীয় আইজিপি জনাব বেনজীর আহমদকে। উনিই সম্ভবত বাংলাদেশে একমাত্র ব্যক্তি যিনি এফিট ফোর্স র‌্যাব এবং পুলিশ দুই বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পেয়েছেন। এ জন্যই ওনার পাবলিক ফাংশনে মেশার সুযোগ বেশি হয়েছে। ঘটনার পর অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে উনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নিচে ওনার বক্তব্যের চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো —

সন্তানের দায়িত্ব নিতে না পারলে সন্তান জন্ম দিয়েছেন কেন? এটি ছিল বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকার হেডলাইন। গত সোমবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলায় র‌্যাব সদর দফতরে ‘র‌্যাব সেবা সপ্তাহ’ উপলক্ষে আয়োজিত দরিদ্র মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা সহায়তা দেওয়া অনুষ্ঠানে আইজিপি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, পিাতামাতাকে তাঁদের সন্তানের খোঁজ খবর রাখতে হবে।সন্তানদের মধ্যে নীতি নৈতিকতা ও মূ্ল্যবোধ তৈরি করতে হবে। এটি বাবা-মার সামাজিক, নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্বও বটে।

ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের(সিএমএইচ) মনোরোগবিদ্যা বিভাগের সাবেক প্রধান ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল অধ্যাপক মো. আজিজুল ইসলাম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই বিষয়গুলোকে
সোশিও-কালচারাল(সামাজিক-সাংস্কৃতিক) প্রেক্ষিতে নিয়ে ভাবতে হবে। শুধু একটা’সেক্টর’ থেকে ভাবলে তা ভুল হবে।

বর্তমানে আমরা ডিজিটালাইজেশনের নামে প্রগতির অনেক ঊর্ধ্বে উঠে গেছি। পশ্চিমা কালচারের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে আমরা বড় বিপদ ডেকে আনছি।মধ্যবিত্তের যে সংস্কৃতি তা থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে বিকৃত যৌন লালসা সমাজে জায়গা করে নিচ্ছে বলেও মনে করেন এই অধ্যাপক। তিনি বলেন, সন্তান কী করছে তার খোঁজ রাখছি না আমরা।

দেশপ্রেমিক অফিসার ও বুদ্ধিজীবীরা যখন রোগ ধরে ফেলছেন ঠিত তখনই স্বদেশে বিদেশী প্রভুদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা কিছু ভাড়াটে বুদ্ধিজীবীরা জাতিকে অদ্ভত কিছু নসিহত করা শুরু করলেন। বিভিন্ন টাকশোতে তারা মতামত দিচ্ছেন ‘যৌন শিক্ষা’ বাধ্যতামূলক করার।

যেটি বাধ্যতামূলক করার কারনে পশ্চিমা বিশ্বের পারিবারিক বন্ধন ধ্বংস হয়ে গেছে সেটাকে আজ এদেশে আমদানির উদ্দেশ্য কী? এসব ঘুণেধরা বুদ্ধিজীবী, নারীনেত্রী এবং তাদের দোষররা নিজ নিজ ফেইসবুক পেইজেও বিষয়গুলো প্রচার করে যাচ্ছে।

এসব ঘটনা বর্তমানে মহামারি আকারে ধারন করছে। এর মূল কারন হলো – স্বদেশী সংস্কৃতির নামে এদেশে বিদেশী সংস্কৃতি আমদানি করা হয়েছে। একদল উচ্ছিষ্ঠভোগী নির্মাতারা তাদের ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে ‘পরকীয়া, প্রেম ও যৌনাচারকে স্বাভাবিক ভাবে তুলে ধরছে।

লেখক
মল্লিক ইশতিয়াক আল আমিন
কেন্দ্রীয় মানবাধিকার সম্পাদক
ইসলামী যুব আন্দোলন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top

সদস্য হতে ফরমটি পূরণ করুন


ইসলামী যুব আন্দোলন-এ যোগদান করতে চাইলে এই ফরমটি পূরণ করে পাঠিয়ে দিন।

প্রশ্ন করুন…

ইসলামী যুব আন্দোলন সম্পর্কে যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে আমাদেরকে জানাতে পারেন।

যোগাযোগ তথ্য