কেন্দ্রীয় কার্যালয়

৫৫/বি (৩য় তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা- ১০০০

ফোন

০২-৫৫৭১৪১

ইমেইল

iajbd.2016@gmail.com

কেন্দ্রীয় কার্যালয়

৫৫/বি (৩য় তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা- ১০০০

ফোন

০২-৫৫৭১৪১

ইমেইল

iajbd.2016@gmail.com

পরিচিতি

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

ভূমিকা

মানুষ আল্লাহর সৃষ্টিসমূহের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। সৃষ্টির সেরা হিসেবে মানুষের সম্মান যেমন বেশি তেমনি তার উপর দায়দায়িত্বও বেশি। পৃথিবীতে সুন্দরভাবে জীবনযাপনের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরিতে তাই মানুষের ভুমিকাই মূখ্য। আল্লাহ্্তায়ালা মানুষকে বিবেক বুদ্ধি দিয়েছেন, সকল পশুপাখি ও প্রাণীজগতের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এজন্যই যে, মানুষ তার ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরকে পরিশুদ্ধ করবে। আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি করবে এবং জমিনে আল্লাহর দীন কায়েম করবে। আল্লাহর দেয়া জীবনব্যবস্থা গ্রহণ করে রাসূলের সা. সুন্নাহ্র অনুসরণের মাধ্যমেই শুধুমাত্র কাঙ্খিত সেই সমাজব্যবস্থা পাওয়া সম্ভব। সর্বশ্রেষ্ঠ মানব শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ স. কর্তৃক দীন কায়েমের পর খোলাফায়ে রাশেদীন ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে বিশ্ববাসীর কাছে এর নজীর রেখে গেছেন। খেলাফতব্যবস্থার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, পুঁজিবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ইত্যাদি মানুষের জীবনে সাময়িক উন্নতি ঘটাতে পারে কিন্তু স্থায়ী শান্তির ব্যবস্থা করতে পারে না। তারা আরো প্রমাণ রেখে গেছেন যে, খেলাফত ব্যবস্থায় শুধু মুসলমানরাই সুবিধা পাবে না, সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ এর সুবিধা ভোগ করবে। এককথায় ধনী-গরীব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, নারী-পুরুষ, সবল-দূর্বল সবার জন্যই শান্তির নির্ভরযোগ্য আবাসস্থল হলো ইসলামী শাসনব্যবস্থা।

ইসলাম শুধুমাত্র দুনিয়ানির্ভর ভোগবিলাসকে সমর্থন করে না, মৃত্যুর পরবর্তী আখেরাতের জীবনের জন্যও প্রস্তুতি নিতে বলে। অপরপক্ষে বস্তুবাদী মতবাদ-মতাদর্শে দুনিয়ায় বেঁচে থাকার জন্য সকল উপাদান-উপকরণ থাকলেও আখেরাতের বিশাল জিন্দেগি কাটানোর কোন উপকরণের ব্যবস্থা নেই। ফলে এসব মতবাদ মানুষকে সাময়িক স্বস্তি দিলেও স্থায়ী শান্তি দিতে সম্পুর্ণ ব্যর্থ।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট
আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ বিশ্বে একটি বৃহত্তম মুসলিম দেশ। এদেশের শতকরা ৯২ জন অধিবাসী মুসলমান। ইসলামের প্রতি দেশের মানুষের বিশ্বাস ও আস্থা অত্যন্ত গভীর। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের জালিম শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। দেশের মানুষ বুকভরা আশা নিয়ে মনে করেছিল, আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে উঠবে। কৃষক, শ্রমিক, মেহনতী মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে। বেকার যুবকরা বেকারত্বের অভিশাপ থেকে রক্ষা পাবে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। জান, মাল, ঈমান, আমল, ইজ্জত, আবরুসহ জীবনের সর্বক্ষেত্রে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারবে। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় গিয়ে কায়েমী স্বার্থবাদী মহল ও সাম্রাজ্যবাদী চক্রের এজেন্টে পরিণত হয়। তারা ভুলে যায় দুঃখ দুর্দশাগ্রস্থ জনতার কথা। তারা ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থ সংরক্ষণে এবং ক্ষমতার মসনদকে পাকাপোক্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। বারবার ক্ষমতার পালাবদল হলেও শাসকদের চরিত্রের কোন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। ফলে হতভাগা জনগণের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি, হয়েছে শুধু নেতার পরিবর্তন। বাংলাদেশে বর্তমানে হাজারো সমস্যা ও সংকটের জন্য দায়ী হচ্ছে জাহেলি সমাজব্যবস্থা ও তার ধারকবাহক অসৎ দুর্নীতিবাজ কায়েমী স্বার্থবাদী নেতৃত্ব। তাই আজ জাতি যেমন শাসকশ্রেণির প্রতি আস্থাহীন, ঠিক তেমনি ক্ষমতাচ্যুত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিও হতাশ। এ বাস্তবতা উপলব্ধি করে দেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় ধর্মীয়, আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক নেতা মরহুম মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই রহ.) ঐতিহাসিক আওয়াজ তুলেছিলেন “শুধু নেতা নয়, নীতির পরিবর্তন চাই”।

ইসলামী সমাজব্যবস্থার স্বরূপ

ইসলাম হচ্ছে এমন এক জীবনব্যবস্থা, যা কুরআন ও সুন্নাহ্র ভিত্তিতে খেলাফতে রাশেদার আদর্শের আলোকে জনগণের কল্যাণে পরীক্ষিত এক সার্বজনীন শান্তির বিধান। ইসলাম জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার ও চাহিদা পূরণ করবে। ন্যায়ের শাসন সু-প্রতিষ্ঠিত করবে। শোষণ ও বৈষম্যমূলক অর্থব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে শোষণমুক্ত, সাম্য ও সহযোগিতামূলক অর্থব্যবস্থা কায়েমের নিশ্চয়তা প্রদান করবে। যেখানে সকল ধর্মের জনগণ জান-মাল, ইজ্জত-আব্রুর নিরাপত্তা নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। মোটকথা, দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক মুক্তি ও অগ্রগতির একমাত্র গ্যারান্টি হচ্ছে সর্বস্তরে ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠা এবং তার যথাযথ বাস্তবায়ন।

বাস্তবতা উপলব্ধি করেই ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার স্বপক্ষে দিন দিন জনমত সংগঠিত হচ্ছে। এটা শুধু অনুমান নয়, বিভিন্ন সময় ইসলামবিরোধী কার্যকলাপের প্রতিবাদে ইসলামী নেতৃত্বের ডাকে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার তরুণ যুবক ও গণমানুষ ঢাকার রাজপথসহ সারাদেশকে প্রকম্পিত করেছে। সরকারের পুলিশ, বিডিআর বাহিনী কর্তৃক সীমাহীন নির্যাতনের স্বীকার হয়ে, কারাবরণ করে এমনকি দীন ও দেশের জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে শাহাদাত বরণের মাধ্যমে বাস্তবে তা প্রমাণ করেছে। তাই ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠা আজ গণদাবি। আমরা মনে করি-এ দাবি পূরণের জন্য কয়েকটি সভা বা মিছিলই যথেষ্ট নয়। বরং এর জন্য প্রয়োজন সর্বাত্মক ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলন।

যুবসমাজের দায়িত্ব-কর্তব্য

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে যৌবনের মহামূল্যবান নেয়ামত দান করেছেন। আবার তিনি এর হিসাব নিবেন। সুতরাং যৌবনের উন্মাদনায় জীবনের গতিপথ হারিয়ে ফেলা চলবে না। যৌবনের শক্তিকে কল্যাণের পথে পরিচালিত করতে হবে। মিথ্যাকে অপসারিত করে সত্যকে বিজয়ী করার সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করতে হবে। যুগে যুগে যুবসমাজ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অনেক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছে। সমাজের বিপ্লবাত্মক পরিবর্তনের প্রতিটি পর্বে যুবসমাজের রয়েছে গৌরবজনক অবদান। এককথায় বলা যায় যুবসমাজই কল্যাণমূলক কাজের নিয়ামক শক্তি।

যুবসমাজের প্রয়োজনীয়তাকে অনুধাবন করে দ্বীনি আন্দোলনকে আরো বেগবান করার মানসে দেশের অন্যতম বৃহৎ আন্দোলনকামী সংগঠন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহযোগী সংগঠন হিসেবে যুব সংগঠন প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২৮ জুলাই ২০১৬ ইং রোজ বৃহস্পতিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর হযরত মাওলানা মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই এর ঘোষণার মাধ্যমে “ইসলামী যুব আন্দোলন” এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।

সচেতন যুবক ভাইয়েরা!
আমাদের সমাজ আর অন্যায়ের অক্টোপাশে বন্দি। মানবতা যেখানে ভূলুণ্ঠিত। পাপ-পঙ্কিলতা, জুলুম-শোষণেরই যেন জয় জয়কার। সবচেয়ে বড় দুঃখের কথা হল, যে যুবসমাজ হতে পারত সত্যের সৈনিক, আজ তারা মিথ্যার লাঠিয়াল। যারা হতে পারত মুক্তির রাহবার, তারাই আজ ধ্বংসের হাতিয়ার। কায়েমী স্বার্থবাদী লুটেরারা সকল সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নে ব্যবহার করছে যুবসমাজকেই।

সংগ্রামী যুবক ভাইয়েরা!
মিথ্যার জৌলুস আর অন্যায়ের মরিচিকার পেছনে ছুটে চলা যুবসমাজকে ফেরাতে হবে ধ্বংসের পথ থেকে। সাময়িক স্বার্থচিন্তার কুহেলিকা ভেদ করে যুবসমাজের চোখে জ্বালতে হবে চিরমুক্তির প্রোজ্জ্বল আলো। হেরার আলোকচ্ছটায় উদ্ভাসিত সে মশালই পারবে নব্য জাহিলিয়াতের অন্ধকারে নিমজ্জিত সমাজকে আলোয় আলোয় ভরে দিতে। সে জন্য সত্যের পতাকাবাহী ইসলামী যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে এবং শক্ত হাতে ধরতে হবে আগামীর হাল। এজন্য তাদেরকে হতে হবে আস্থায় অবিচল, সংকল্পে ঐকান্তিক, পথচলায় নির্ভিক, আদর্শে আত্মবিশ্বাসী এবং প্রাণপ্রাচুর্যে ভরপুর।

আমাদের কার্যক্রম
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার দীন ইসলামকে আদর্শগত ও প্রমাণগত দিক থেকে শ্রেষ্ঠ ও বিজয়ীরূপে দুনিয়াতে নাযিল করেছেন। অতঃপর ব্যবহারিক ক্ষেত্রেও তার মহান দ্বীনকে বিজয়ী করার জন্য মানুষের উপর তিনি খেলাফতের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা’আলা প্রদত্ত সেই মহান দায়িত্ব পালনার্থে ইসলামী যুব আন্দোলন নিম্নে উল্লেখিত লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে অগ্রসর হচ্ছে।

লক্ষ্য: সমাজের সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠিত তাগুত ও জাহেলিয়াতকে দূর করে আল্লাহর বিধানের আলোকে রাসূল সা.-এর তরীকায় ব্যক্তিজীবন গঠন এবং সর্বত্র পূর্ণাঙ্গ দীন বাস্তবায়ন।

উদ্দেশ্য : ইবাদাত ও খেলাফতের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন করা।

সাত দফা কর্মসূচি
এসব লক্ষ্য অর্জনের জন্য ইসলামী যুব আন্দোলন প্রণয়ন করেছে সুচিন্তিত সাত দফা কর্মসূচি। যথা-
১. ইলম ও আমল
২. আত্মশুদ্ধি ও আত্মগঠন
৩. দাওয়াত ও সংগঠন
৪. খেদমতে খালক্ব বা জনসেবা
৫. কর্মদক্ষ জনশক্তি তৈরী
৬. সমাজসংস্কার
৭. গণআন্দোলন

১. ইলম ও আমল :
ক) যুবসমাজকে ইসলামী আদর্শে গড়ে তুলতে দ্বীনি ইলম অর্জনে উদ্বুদ্ধ করা।
খ) ইসলামী ও আধুনিক শিক্ষায় ব্যুৎপত্তি অর্জন এবং প্রচলিত ধর্মহীন শিক্ষা ও মানবরচিত সকল মতাদর্শের অসারতা অনুধাবনে উৎসাহিত করা।
গ) জাহিলিয়াতের সকল প্রকার চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় ইসলামী সমাজবিপ্লবের যোগ্য কর্মী হিসেবে গড়ে তোলার সার্বিক প্রচেষ্টা চালানো।

২. আত্মশুদ্ধি ও আত্মগঠন :
ক) ব্যক্তিজীবনকে ইসলামী শরীয়তানুযায়ী সুন্নত তরীকায় গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালানো।
খ) আল্লাহওয়ালা ব্যক্তিদের সোহবত লাভের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির প্রচেষ্টা চালানো।
গ) জাহেরী ও বাতেনী নেক আমল অর্জন এবং বদ আমল বর্জনের চেষ্টা করা।

৩. দাওয়াত ও সংগঠন :
ক) সকল প্রকার তাগুতী মত ও পথ অস্বীকার করে জীবনের সর্বক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালার সার্বভৌমত্ব ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুবসমাজকে শরীক হবার আহ্বান জানানো।
খ) সর্বস্তরের যুবকদের সম্পৃক্ত করে আন্দোলনের সম্প্রসারণ ঘটানো।

৪. খেদমতে খালক্্ বা জনসেবা :
ক) মহানবী সা. এর গড়া স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন ‘হিলফুল ফুজুল’ এর আদলে যুবসমাজকে সাথে নিয়ে দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
খ) বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা রাখা।

৫. কর্মদক্ষ জনশক্তি তৈরী :
ক) যুবসমাজকে কর্মদক্ষ হিসেবে তৈরীর মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণে ভুমিকা রাখা।

৬. সমাজসংস্কার :
ক) যুবসমাজকে সাথে নিয়ে সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের জন্য ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালানো।
খ) সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, মদ-জুয়া, যৌতুক, ইভটিজিং, অপসংস্কৃতিসহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা।

৭. গণআন্দোলন :
ক) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নির্দেশিত ও অনুমোদিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা।
খ) সমাজ ও রাষ্ট্রের স্থায়ী শান্তি এবং মানবতার সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে ইসলামী বিপ্লব সাধনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো।

সাংগঠনিক কাঠামো
কেন্দ্রীয় সংগঠন, জেলা শাখা, মহানগর শাখা, থানা শাখা, পৌর শাখা, ইউনিয়ন শাখা ও ওয়ার্ড শাখাসমূহের সমন্বয়ে ইসলামী যুব আন্দোলনের সাংগঠনিক কাঠামো গঠিত হবে।

যোগদানের নিয়ম
যদি কোন যুবক ইসলামী যুব আন্দোলনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের সাথে একমত হয়ে কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতির উপর আস্থাবান হন এবং আন্দোলনের সামগ্রিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেন, তাহলে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে তিনি সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন।

আমাদের আবেদন
পরিশেষে সর্বস্তরের যুবকদের প্রতি আমাদের আহ্বান- আসুন! ‘ইসলামী যুব আন্দোলন’এর পতাকাতলে সমবেত হয়ে ইসলামবিরোধী সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলি এবং মানুষের স্থায়ী শান্তি ও সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্র রচনা করি।
আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন আমাদের সকলকে তাঁর দীন কায়েমের যোগ্য সৈনিক হিসেবে কবুল করুন। আমীন।

Scroll to Top

সদস্য হতে ফরমটি পূরণ করুন


ইসলামী যুব আন্দোলন-এ যোগদান করতে চাইলে এই ফরমটি পূরণ করে পাঠিয়ে দিন।

প্রশ্ন করুন…

ইসলামী যুব আন্দোলন সম্পর্কে যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে আমাদেরকে জানাতে পারেন।

যোগাযোগ তথ্য