খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে
– আতিকুর রহমান মুজাহিদ
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে চাঁদাবাজি ও মাদক চোরাচালানির প্রতিবাদ করায় ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ বন্দর থানা পশ্চিমের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ বুলবুলকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ ও সেক্রেটারি জেনারেল মুফতী মানসুর আহমদ সাকী।
২১শে আগষ্ট রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় মুহাম্মাদ বুলবুলের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। এ হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক, বর্বর ও নিন্দনীয়। একজন নাগরিকের ন্যায়সংগত প্রতিবাদের অধিকারকে সন্ত্রাসী শক্তি দিয়ে দমন করার এই অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
নেতৃদ্বয় বলেন, বন্দরে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় এর আগেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা নুর হোসেনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে।
তারা অবিলম্বে মুহাম্মাদ বুলবুল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত এবং দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একইসঙ্গে নারায়ণগঞ্জসহ সারাদেশে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক পরিচয়ে অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের কোনো দলীয় বা রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না; অপরাধীর পরিচয় একটাই—সে অপরাধী। সরকার যদি চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় দেয় কিংবা তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণের ক্ষোভ ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আগেই অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তারা মরহুম মুহাম্মাদ বুলবুলের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আইনানুগভাবে প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।





